’ক’এর কারিশমা!
কিশোরগঞ্জের
কটিয়াদী
কলেজের
কনিষ্ঠ
কেরাণী
কার্তিক
কুমার
কর্মকারের
কোকিল
কন্ঠী
কন্যা
কপিলা
কর্মকার
কাশিতে
কাশিতে
করুণ
কন্ঠে
কমল
কাকাকে
কহিল-
"কাকা,
কড়ই
কাঠের
কেদারা
কিংবা
কারখানার
কাপড়
কেনাকাটায়
কৃষাণীরা
কিছুটা
কৃচ্ছতা
করিলেও
কলকাতার
কিশোরী
কন্যাদের
কাছে
কুষ্টিয়ার
কুচকুচে
কালো
কাতান
কাপড়ের
কদর
কল্পনাতীত।
কীর্তিমান
কতিপয়
কলাকুশলী
কিংবা
কিশোর
কবিরাও
কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।
কিন্তু
কাকা,
কষ্মীনকালে
কেউ
কী
কখনো
কহিয়াছেন?
কী
কারণে,
কিসের
কারসাজিতে,
কেমন
করিয়া
কোথাকার
কোন
কাশ্মিরী
কম্বল
কিংবা
কর্ণাটকের
কমলা
কাতানের
কাছে
কালক্রমে
কুলীন
কূলের
কায়িক
কৃষাণীদের
কাঙ্খিত
কালজয়ী
কারুকার্যময়
কাতান
কাপড়ের
কদর
কমিল"?
কাজে-কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী
কপিলা
কর্মকারের
কঠিন
কথায়
কিঞ্চিত
কর্ণপাত
করিয়া
ক্লান্ত
কাকা
কুষ্টিয়ার
কিংবদন্তি
কালো
কাতানের
ক্রমেই
কদর
কমার
কয়েকটি
কারণ
কোমল
কন্ঠে
কপিলার
কানে
কানে
কহিলেন।
কৃষ্ণকায়
কাকাকে
কাপড়ের
কষ্টের
কিচ্ছা
কাহিনী
কহিয়া
কপিলা
কর্দমাক্ত
কলস
কাঙ্খে
করিয়া
কালোকেশী
কাকিকে
কহিল
"কাবেরী
কোলের
কেয়া-কুঞ্জে কোয়েলের
কলকাকলি
কিংবা
কেতকী
কদম
কুসুম
কাননে
কোকিলের
কন্ঠে
কুহু
কুহু
কুজনের
কতই
কারিশমা!
কিন্তু
কাকী,
কদর্য
কাক
কী
কারণে
কর্কশ
কন্ঠে
কানের
কাছে
কেবল
কা-কা করে"?
কাঁচের
কংকন
করিয়া
কিংকর্তব্যবিমূঢ়
কাকী
কিলানো
কাঁঠালের
কদলি
কচলাইতে
কচলাইতে
কহিলেন-
"কুৎসিত
কেতাদুরস্ত
কাকের
কাজই
কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির
কৃতিত্ব
কুড়ানো"।
ক'
নিয়ে
বিশাল
কাহিনী
সংগৃহীত।
