উপজেলার ৮ নং জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জয়নাল ছাড়াও এ ঘটনায় জড়িত অন্যরা হলেন, দেবীদ্বার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মৃত মানতু মেম্বারের ছেলে নাজমুল (২০), মিজানুর রহমানের ছেলে গোলসান মিয়া (২৫), জালাল মিয়ার ছেলে কাউছার মিয়া (১৯), মাহাল মিয়ার ছেলে মিজান হোসেন (৩৫), মৃত সোবহান মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া (৩২), মৃত আজগর আলীর ছেলে হারুন মিয়া (৫০), চেরাগ আলীর ছেলে জাকির হোসেন (২২), হারুন মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল (৩৫), মো. সুবলার ছেলে সিরাজ মিয়া (২৫), নুরুল ইসলামের ছেলে ফয়সাল মিয়া (২৫), জারু মিয়ার ছেলে আবদুল কাদের (২৭)সহ আরো অজ্ঞাত ২০০জন।
মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকির বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও থানার দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধের জের ধরে গত ৬ এপ্রিল বিকেলে উপজেলার বাজেবাখর গ্রামে মুক্তিযুদ্ধা আলফু ফকিরের নিজ বাড়িতে অভিযুক্তরা লোহার রড, রাম দা , লাঠি, ছেনিসহ বিভিন্ন মরনাস্ত্র দিয়ে বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর চালায়।
মুক্তিযোদ্ধার চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। পরে জরুরীসেবা ৯৯৯ ফোন পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা মারপিটের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকির বলেন, আমার সাথে সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের সাথেই বিরোধ চলে আসছিল। তাছাড়া প্রায়ই প্রতিপক্ষরা আমার পরিবার ও আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও হত্যা করার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিল। আমার ছেলে ও নাতীরা হাটবাজার, স্কুলে কিংবা প্রাইভেট পড়তে গেলে মান্তু মেম্বারের বাড়ির লোকজন তাদেরকে গাল-মন্দ, মারধর ও বিভিন্নভাবে হয়রানী করে। মান্তু মেম্বারের নাতী জিসান পানিতে পড়ে মারা গেছে অথচ আমি অভিশাপ দিয়ে তাকে মেরে ফেলেছি বলে অভিযোগ এনে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মরনাস্ত্র নিয়ে আমার বাড়ি ঘেরাউ করে বাড়ি ঘর ভাংচুর করে। আমার অভিশাপে যদি মানুষ মারা যায় তাহলে তো ওরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে না এসে আমার ভক্ত হতে পারত। ওরা কোন কারন ছাড়াই একটি প্রভাবশালী চক্রের ইন্দনে বছরের পর বছর আমার বিরুধিতা করে আসছে।
স্থানীয় সোহেল আহমেদ বলেন, গত ৬ এপ্রিল বিকেলে পাশ^বর্তী হোসেনপুর গ্রামের মান্তু মেম্বারের নাতী ও জয়নাল আবেদীনের পুত্র জিসান(৯) মাদ্রাসার ছাদে খেলতে যেয়ে গর্তে পড়ে মারা যায়। ওই ঘটনায় বীর মুক্তিযেদ্ধা আলফু ফকিরের অভিশাপে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের পুত্র জিসান মারা গেছে বলে এলাকার লোকদের ক্ষেপিয়ে প্রায় ২শতাধিক লোকজন মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা চালায়।
এ ব্যপারে প্রধান অভিযুক্ত জাফরগঞ্জ ইউপি মেম্বার জয়নাল আবেদীন জানুর সাথে সোমবার বিকেল (১০ এপ্রিল) মোইল ফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করেও কথা বলা যায়নি।
দেবীদ্বার
থানার ওসি
কমল কৃষ্ণধর
বলেন, মুক্তিযোদ্ধাকে
হত্যা চেষ্টার
উদ্দেশ্যর ঘটনা
সোমবার দুপুরে
একটি অভিযোগ
দায়ের করেছেন।
এস আই
বাদলকে তদন্ত
ভার দিয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত
সাপেক্ষে ব্যবস্থা
নেয়া হবে।
%20PIC;-%20BIR%20MUKTIJODDHA%20ALFO%20FAKIR%20HAMLA-%2010.04.2023.jpg)